স্টার্ট আপ করার জন্য শ্রম আইনে কি কি ছাড় দেওয়া হয়? বিস্তারিত জানুন

স্টার্ট আপ শুরু করতে চান? তাহলে আপনাকে জানা দরকার স্টার্ট আপ করার জন্য শ্রম আইনে কি কি ছাড় দেওয়া হয়? আর এই ছাড় কিভাবে আপনি পাবেন? জানুন সবকিছু এখানে।

স্টার্ট আপ এবং কোন ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেকেই নতুন উদ্যোগ নিয়ে থাকেন। বর্তমানে বিষয়টির সাথে অনেকেই পরিচিত। স্টার্টআপ স্টারম এর সাথে রাষ্ট্র এবং দেশের বৃদ্ধির দাবি করার ক্ষমতা রাখে।

শ্রম আর রোজগার মন্ত্রণালয় বিনিয়োগের আধারের উপর নির্ভর করে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় শ্রম প্রবর্তন এজেন্সি দের একটি পরামর্শ দিয়ে থাকে। বিভিন্ন শ্রম আইন কানুন অনুসারে সেটা নিরীক্ষণ করা প্রয়োজন। আর স্টার্টআপ হলো এমন একটি পরিস্থিতি যা দেশের অর্থনৈতিক দিক টিকে খুবই মজবুত করতে সাহায্য করে।

স্টার্ট আপ করার জন্য শ্রম আইনে কি কি ছাড় দেওয়া হয়? বিস্তারিত জানুন
স্টার্ট আপ করার জন্য শ্রম আইনে কি কি ছাড় দেওয়া হয়? বিস্তারিত জানুন

তবে এটা বলে যেতে পারে, স্টার্ট আপ শুরু হওয়ার তারিখ এর আগে এক বছরের জন্য নতুন শ্রম আইনের অনু পালনের জন্য কিছু বিষয়ের উপরে খেয়াল রাখাটা জরুরি।

কি কি ছাড় দেওয়া হয়েছে:

শ্রম আইন কানুন অনু পালনের মধ্যে দিয়ে ঘোষণা পত্র দেয়ার উপর শ্রম নিরীক্ষক দের তিন বছর এর জন্য স্টার্ট আপ এর বিষয়ে ছাড় দেওয়া হয়েছে।

এটাও জানানো হয়েছে যে, যদি এই ভাবে স্টার্ট আপ ব্যবসা শুরু করার দিন থেকে আগে এক বছরের জন্য প্রয়োজন শ্রম আইন কানুনের অনুসরণের জন্য সবকিছু প্রস্তুত করতে হবে।

তাহলে এই শ্রম আইন কানুন অনুসারে কোন নিরীক্ষণ যেখানেই জারি করা হোক না কেন, এমন স্টার্ট আপের জন্য জায়গা নেবে ইউ পি এস।

স্টার্ট আপ কে দেওয়া হয়েছে শ্রম আইন কানুন থেকে ছাড়: 

9  শ্রম আইন কানুন আর পর্যাবরণ আইনের সাথে স্টার্ট আপ এর অনু পালন মোবাইল অ্যাপ এর মাধ্যমে প্রমাণিত করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া নিরীক্ষণ অধিকারী কে কম করে এক স্তর বরিষ্ঠ থেকে অনুমোদন এর লঙ্ঘনের জন্য একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে হবে, তার ওপর স্টার্টাপের নিরীক্ষণ করা হবে।

পর্যাবরণ ইউ আই এনের মামলাতে সাদা শ্রেণীর অন্তর্গত প্রমানিত করার অধিকারী হবে এবং কেবল মাত্র একবারই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।

যে সমস্ত মহা গুরুত্বপূর্ণ ছাড় গুলি দেওয়া হয়েছে সে গুলি নিম্নলিখিত শ্রম আইন এর সম্বন্ধে উপলব্ধ আছে:

১) ভবন এবং অন্যান্য রচনাত্মক শ্রমিক নিয়োগ এবং সহযোগিতার শর্ত অধিনিয়ম 1996

২) অন্তর রাজ্য প্রবাসী, রোজগার এবং সহযোগিতা শর্ত অধিনিয়ম 1979

৩) গ্রাচুয়িটি অধিনিয়ম 1972 এর ভর পাই।

৪) অনুবন্ধ শ্রম প্রবিধান এবং নির্মূল অধিনিয়ম 1970।

৫) কর্মচারী দের ভবিষ্যৎ নিধি এবং বিবিধ ব্যবস্থাপনা অধিনিয়ম 1952।

৬) কর্মচারী রাজ্য বীমা অধিনিয়ম 1948।

দ্বিতীয় বছর থেকে ইউনিটের স্থাপনা থেকে তিন বছর পর্যন্ত এমন স্টার্ট আপ কে স-প্রমাণিত রিটার্ন প্রস্তুত করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আর এছাড়া এর কেবল মাত্র তখনি নিরীক্ষণ করা যাবে, যখন লঙ্ঘনের বিশ্বাস নিয়ম এবং সত্য অভিযোগ লিখিত রূপে দায়ের করা হবে এবং অনুমোদন প্রাপ্ত করা হবে উচ্চ অধিকারী হিসাবে।

শ্রম মন্ত্রী বলেছেন যে রাজ্য সরকারের পরামর্শ অনুযায়ী শ্রম আইন এর অনুপাত এর মধ্যে দিয়ে স্টার্ট আপ কে প্রবাহিত করা যাবে না। তার পরিবর্তে শ্রম আইন কে অথবা শ্রম আইন অনুসারে স্টার্ট আপকে নিরীক্ষণের অনিয়মিত করার জন্য একটি প্রশাসনিক তথ্য প্রদান করতে হবে। যাতে স্টার্টআপকে বহির্গামী করা যেতে পারে এবং স- অনুষ্ঠিত হওয়া আর আইন অনুসারে শাসনের পালন করতে হবে।

প্রতিটি স্টার্টাপের মধ্যে শ্রম জড়িয়ে রয়েছে। শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সচেতন হওয়ার সাথে সাথে প্রতিটি স্টার্ট আপ যেন সঠিক পথে এগোতে পারে, সেদিকে আইন খুবই গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আর কোনো রকম উদ্যোগ এবং স্টার্ট আপ বিজনেস রাজ্যের সাথে সাথে বাইরে ও যেন প্রভাব বিস্তার করতে পারে। সে ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখাটা জরুরি।

যার ফলে অর্থনৈতিক দিক থেকে রাজ্য অনেক খানি সহযোগিতা পেতে পারে। এছাড়া একটি স্টার্ট আপ ব্যবসার মধ্যে অনেক কর্মসংস্থান হয়ে থাকে। যেটা কোন সাধারণ মানুষের জন্য অন্নসংস্থানের কাজ করে।

তবে সব সময় স্টার্ট আপ করার জন্য বেশ কিছু নিয়ম নীতি এবং আইন অনুসারে এগোতে হবে। তবে আপনি ভালভাবে শ্রমিক পেতে পারেন। আর সেই ব্যবসাটিকে আগে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন অনায়াসেই।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *